CHANGE & CORONA

BENGALI

BY SALMA MARIUM

যেহেতু আমি এই মহামারী রোগের কারণে বাসায় গত তিন মাস ধরে আটকা পড়েছি এবং আমি
বিদ্যালয় যেতে পাড়ছিনা, আমার জীবনে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে। আমার ঘুমের সময়সূচি
গোলমাল। আমি এখন রাতের ১:৩০ এর দিকে ঘুমাই এবং সকাল ১০ টার সময় উঠি। আমাকে আমা বিদ্যালয় থেকে অনেক পড়া আর কাজ দিচ্ছে যেটা আমার সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।কিন্তু আমি যখনই সময় পাই, তখনই আমি নিজের দিকে মনোনিবেশ করতে চেষ্টা করি। এই সময়ের থেকে আমি বুঝতে পেরেছি যে আমার পছন্দ পরিবর্তন হয়েছে। সাধারণত আমি কথোপকথন ব্যক্তি এবং আমি আমার বান্ধবীদের সাথে কথা বলতে খুবই পছন্দ করি। কিন্তু এই কোয়ারেন্টিনে 
থেকে বুঝতে পেরেছি আমি একা থাকতে পছন্দ করি যা আমার জন্য বেশ অবাক করা। এখন একা থাকায় আমি স্ব-প্রতিবিম্ব করার জন্য সময় পাই। এ থেকে আমি বুঝতে পেরেছি, আমি আমার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারকে অজান্তেই কিছু কথা বলেছিলাম যা বেশ আপত্তিজনক ছিল এবং আমি তার জন্য নিজেকে দোষী মনে করি।আমি আমার বান্ধুবীদেরকে বেশ কয়েকবার বলেছি যে আমি যদি এদেরকে কিছু আপত্তিকর বলে থাকি, ওরা যেন আমাকে বলে কারণ মুখের কথা অনেক সময় অস্ত্র থেকে জঘন্য হয়। অতএব, আমি আমার জিহ্বা নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করছি। আমি অন্যান্য লোকদের সমস্যা শোনার অনুশীলন করছি কারণ স্ব-প্রতিবিম্ব থেকে আমি জানতে পেরেছি যে মাঝে মাঝে আমি
নিজের সম্পর্কে খুব বেশি কথা বলি যে আমি অন্য লোকদের কথা বলতে সুযোগ দিই না। এটি আমাকে বুঝিয়েছে যে আমি অনিচ্ছাকৃতভাবে স্বার্থপরও হয়ে যাচ্ছি। আমি অন্যান্য দেশের সংস্কৃতি, উৎস এবং রাজনীতি সম্পর্কে জানতে আগ্রহী। ইদানীং, আমি কোরিয়ার ইতিহাস সম্পর্কে শিখছি: দেশটির উদ্ভব কীভাবে হয়েছিল, রাজবংশ, ভাষা এবং রাজনৈতিক কারণে কীভাবে উপদ্বীপটি বিভক্ত হয়েছিল। আমার মার্কিন ইতিহাসের ক্লাস, কে-নাটক এবং কে-পপ আমাকে কোরিয়া সম্পর্কে শিখতে উদ্বুদ্ধ করেছে। গত দুই সপ্তাহ, আমার মূল ফোকাস উত্তর কোরিয়া সম্পর্কে ছিল। এই দেশটি কীভাবে এত গোপনীয় হতে পারে, কীভাবে লোকেরা টিকে থাকে ওই দেশটিতে এবং উত্তর কোরিয়ার জীবন কেমন, তা নিয়ে আমি সবসময় ভাবতাম। উত্তর কোরিয়ার সম্পর্কে জানার পর আমি কৃতগ্য যে আমার নিজের জীবন যাপন করার স্বাধীনতা আছে। অনেক সময় ঘরের ভিতরে দীর্ঘ সময় থাকার কারণে আমি দমবন্ধ অনুভব করি। আমি বাইরে যাওয়া মিস করছি কারণ আমার মতে এটি বাইরে যাওয়ার সবচেয়ে ভাল আবহাওয়া যেহেতু এটি খুব শীতও নয় বা খুব গরমও নয় এবং আমি কৃতজ্ঞ যে আমার পরাগজনিত অ্যালার্জি নেই। তা ছাড়া, পৃথকীকরণ আমাকে বুঝালো যে আমি একটি দুর্দান্ত জীবন যাপন করি এবং এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। 
আমার বাড়িতে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার জমা আছে এবং আমার একটি আশ্রয় রয়েছে। আমি প্রথম সারির লোকদের প্রতিও কৃতজ্ঞ, যারা রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য প্রাণ দিয়ে যাচ্ছেন। আমি প্রার্থনা করি যে তারা তাদের ত্যাগের জন্য একটি বড় পুরষ্কার পাবে কারণ তারা এর প্রাপ্য। সূর্য ডুবে যাওয়ার আগে আমার পুরো পাড়াটি তাদের জানালায় এসে প্রথম সারি লোকদের জন্য তালি দেয়। আমরা পুরো প্রতিবেশী হিসাবে সম্মুখভাগের লোকদের ধন্যবাদ জানাই। আমি যখন আমার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ইতিবাচক কম্পন লক্ষ্য করছি এবং কীভাবে আমি নিজেকে প্রতিবিম্বের মাধ্যমে নিজেকে আপগ্রেড করছি, আমি বাইরে যাওয়ার আশা এবং সবকিছু আবার স্বাভাবিক হওয়ার আশা হারাব না।

Since I’m stuck in the house due to the pandemic for more than three months, and not
being able to go to school, my lifestyle led to a big shift. Of course, my sleeping schedule is
messed up. Now I go to sleep at around 1:30 at midnight and wake up after 10 o’clock in the
morning. I’m also being assigned a huge amount of work from school which is almost always
hard for me to finish on time. But whenever I get spare time from school work, I try to focus on myself. From these spare times I figured out that my preferences have changed. Usually I’m a talkative person and I like to socialize with my friends a lot. However, in this quarantine, I
realized that I like to spend time alone which is quite surprising for me. Now that I’m alone, I get time to do self-reflection. From this I realized, there were few things I had told my friends and family unintentionally which were quite offensive and I feel guilty about it. I have told my friends a few times that if I tell them something foolish, they should correct me because words are more hurtful than weapons. Therefore, I’m working on controlling my tongue. I’m also practicing listening to other people’s problems because from self-reflection. I’ve found out that sometimes, I just talk about myself too much that I don’t let other people talk. This made me realize I was also being selfish unintentionally. I am interested in learning about other countries’ cultures, origins, and politics. Lately, I’ve been learning about the history of Korea: how the country originated, the dynasties, the language and how the peninsula was divided due to political reasons. My US History class, K-dramas, and K-Pop had motivated me to learn about Korea. The past two weeks, my main focus was learning about North Korea. I had always wondered about how this country could be so secretive, how are the people surviving and what is life like in North Korea. After learning about the country’s history, I’m grateful that I have my own freedom to live and enjoy my life. 
Sometimes I feel suffocated by staying inside the house for a long time. I miss going out because in my opinion this is the best weather to go out since it's neither too cold nor too hot and I’m grateful that I don’t have a pollen allergy. Other than that, the quarantine made me realize that I live a great life and I am grateful for that. I have enough food stocked in my house, and I
have a shelter. I’m also grateful towards the frontline people who are putting their lives on the line to treat the patients and to help other people. I pray that they get a big reward for their
sacrifices because they deserve that. Before the sunsets, my whole neighborhood comes in their
window and claps for the frontline people. We as a whole neighborhood thank the frontline
people. As I notice the positive vibes of my neighborhood and how I am upgrading myself
through self-reflection, I don’t lose the hope of going out and things becoming normal again.